
জুলাই আন্দোলনের সম্মুখ সারির যোদ্ধা এবং ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান হাদির ওপর প্রকাশ্য দিবালোকে গুলি করে হত্যাচেষ্টার ঘটনাটি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের জন্য মারাত্মক হুমকী হয়ে দাঁড়িয়েছে। হাজারো ছাত্র-জনতার রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে থাকা অন্তর্র্বতী সরকারের এমন দুর্বল অবস্থানে জুলাই যোদ্ধা সংসদ লজ্জিত ও শঙ্কিত। বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, হামলার ৪৮ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত হামলাকারীদের গ্রেফতার করতে না পারা সরকারের চরম ব্যর্থতা। অনতিবিলম্বে হামলাকারীদের গ্রেফতারের জোর দাবি জানানো হয় এবং অন্যথায় জুলাই যোদ্ধারা ঘরে বসে থাকবে না বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।
রোববার (১৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় জুলাই যোদ্ধা সংসদ সিলেট জেলা উদ্যোগে আয়োজিত মশাল মিছিল পরবর্তী সমাবেশে বক্তারা উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। বিক্ষোভ মশাল মিছিলটি নগরীর কোর্ট পয়েন্ট থেকে শুরু হয়ে নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে এবং সবশেষে চৌহাট্টা পয়েন্টে এক সমাবেশে মিলিত হয়। জেলার আহবায়ক লিটন আহমদের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব নোমান আহমদের পরিচালনায় মশাল মিছিল পরবর্তী সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন আহবায়ক কমিটির সদস্য ইসহাক আহমদ, আমিনুল ইসলাম, সেলিম আহমদ শেলু, ইকবাল হোসেন, শিক্ষক রাজু আহমদ, জাবেদুর রহমান, সাহেল আহমদ, জাকওয়ান, আব্দুল জলিল, ময়নুল হক ইমন, শামীম আহমদ, লায়েক আহমদ, মাহমুদ হোসাইন, নূর উদ্দিন, মো. জুবায়ের আহমেদ রুমান, মো. আখলাকুজ্জামান লাহিন, জাফর আহমদ, আব্দুল মালেক, মাহবুব হুসাইন, সোহেল আহমদ, ওসমান সুলতান, রুম্মান আহমদ, আব্দুল হালিম, জহির উদ্দিন, সাফওয়ান আহমদ, জব্বার আহমদ কামরান, মাহমুদুল হাসান, সৈয়দ মোস্তফা জামান রাফি, আব্দুল মালিক, সেলিম মিয়া, সাব্বির আহমদ, সজিব আহমদ, রিয়াদুল ইসলাম রুবেল, খুরশেদ আলম, আব্দুস সত্তার, বিলাল আহমেদ, ফয়সল আহমদ, রিপন আহমদ, ইমন আহমদ, শাকিল আহমদ, জাহিদ আহমদ, জামাল আহমদ, সরাজ আহমেদ, আক্কাস আহমদ, জাহাঙ্গীর আলম, বাদশা আহমদ, শামিম আহমদ, তপু মিয়া, শুভ মিয়া, আহাদ মিয়া, মো রাফি, সুলায়মান, জুয়েল আহমেদ, হাবিবুর রহমান, সুমেল আহমদ, মিসবাহ উদ্দিন, রাজিব আহমেদ, মাহফুজ, মাহিন, আহাদ নুর, লাভলু মিয়া, শাহরিয়ার আহমদ রাতুল, তোফায়েল আহমেদ, এবং বিপ্লব সরকার প্রমুখ।