২০২৪ সালে কোটা সংস্কার আন্দোলনের এক পর্যায়ে তৎকালীন সরকার কঠোর হয়। শুরু করে দমন প্রক্রিয়া। পরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গুলিতে ছাত্র-জনতার জীবনপ্রদীপ নিভতে থাকে। এসব ঘটনার প্রতিবাদে শুরু থেকে সোচ্চার হয়েছিল দেশের বিনোদনজগতের তারকাদের অনেকেই। এ জন্য নানাভাবে অনেক তারকাকে হয়রানির শিকার হতে হয়েছিল। অবশেষে গত বছরের ৫ আগস্ট ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পালানোর পরে যেন স্বস্তি মেলে সেসব তারকার। সেই দিনগুলো যেন এখনো আতঙ্কের, অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন ও তরুণ গায়ক তাসরিফ খানের কাছে।
শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে সোচ্চার ছিলেন অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। তিনি আন্দোলনের আগের অবস্থা নিয়ে প্রথম আলোকে বলেন, ‘ওই সময় প্রচণ্ড ক্ষমতালোভী সরকারের হুমকি–ভয়ভীতি উপেক্ষা করে আমরা শিল্পীরা সোচ্চার হয়েছি। সহজ–সরল শিক্ষার্থীরা আমাদের অনুপ্রাণিত করেছে। আমরা ন্যায়ের কথা বলা শুরু করলে, আমাদের রাষ্ট্রদ্রোহী অপরাধের ভয় দেখিয়েছে সেই সরকার। আমি গুম–খুন হয়ে যাব—এমন কথাও শুনেছি। ছাত্রদের যৌক্তিক আন্দোলনে মাঠে থাকার পর থেকে আমাকে ফোনে, মেসেঞ্জারে, খুদে বার্তায় একের পর এক হুমকি দেওয়া হয়। অ্যাসিডও মারতে চেয়েছে। কিন্তু আমি ক্ষমতালোভী সরকারের বাহিনীকে ভয় পাইনি।’