মধ্যনগর সৎসঙ্গীদের দীর্ঘদিনের মতানৈক্য নিরসন

সুনামগঞ্জের মধ্যনগর শাখা সৎসঙ্গীদের মধ্যে দীর্ঘদিনের মতানৈক্য সমস্যার নিরসন হয়েছে,একাধিক সৎসঙ্গী সমন্বয়কের ঐকান্তিক প্রচেষ্ঠায়।

৭সেপ্টেম্বর রোববার সন্ধ্যায় মধ্যনগর উপজেলা সৎসঙ্গ মন্দিরের নির্ধারিত চত্বরে এক জরুরী সভায় নিষ্পত্তির বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।জানা যায় সৎসঙ্গের জায়গা সম্বলিত বিষয়কে কেন্দ্রকরে প্রায় তিনবছর ধরে স্থানীয় সৎসঙ্গী গুরু ভ্রাতাদের মধ্যে মতানৈক্য ও দুটি দলে বিভক্তি সৃষ্টি হয়েছিল।সম্প্রতি একাধিকবার সমাধানের চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছেন এলাকার অনেক গুনীজনরা।

বিগত সপ্তাহ খানেক যাবৎ মধ্যনগর শাখা সৎসঙ্গের গুরুভ্রাতাদের কয়েক সমন্বয়কের মধ্যে রজত কান্তি তালুকদার,কাজল চন্দ্র সরকার,মধ্যনগর৮২গ্রাম আশ্রম কমিটির সাধারণ সম্পাদক সম্ভু রায়,লিটন বণিক,সুবল পাল,নেপাল সরকার,পরিমল তালুকদার ও সাবেক ইউপি সদস্য চঞ্চল সরকার।উল্লেখ্য ভক্তদের প্রচেষ্টায় সৃষ্ট সমস্যার নিরসন ঘটে।এসময় দুপক্ষের অধীনে থাকা সৎসঙ্গের প্রয়োজনীয় উপকরণ,আসবাবপত্র সহ জায়গার দলিলাদি সকল কিছুই সমন্বয়কদের নিকট বুঝিয়ে দেন তাঁরা।

সৎসঙ্গ ঠাকুর বাড়ীতে বন্দেপুরুষোত্তম ধ্বনির মাধ্যমে সকলি একমত পোষন করেন শ্রীশ্রী ঠাকুর অনুকূল চন্দ্রের অনুসারী ভক্তগন।

এসময় স্থানীয় সৎসঙ্গীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্বস্তোয়নী ব্রতধারী মহেন্দ্র সরকার(খোকা),মন্মথ মহানায়ক,সুবল চন্দ্র তালুকদার।এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্টজনের মধ্যে মধ্যনগর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবে হায়াত, যুগ্ম-আহ্বায়ক আব্দুল কাইয়ুম মজনু,যুগ্ম আহ্বায়ক ও মধ্যনগর বাজার বণিক সমিতির সভাপতি আবুল বাসার,যুগ্ম আহ্বায়ক মোসাহিদ তালুকদার,সদস্য মোঃকামাল হোসেন প্রমুখ।বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন মধ্যনগর শাখা সৎসঙ্গের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রজত কান্তি তালুকদার।