শাল্লায় দীর্ঘদিন পর হাসপাতালে এক্স-রে মেশিন চালু স্বস্তিতে হাওরবাসী

সুনামগঞ্জের হাওরবেষ্টিত শাল্লা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক্স-রে মেশিন দীর্ঘদিন পর চালু করা হয়েছে।

আজ (১৫ জুলাই) দুপুরে হাসপাতালে এক্স-রে মেশিন চালুর মাধ্যমে উপজেলার প্রায় লক্ষাধিক মানুষ সহ সেবাগ্রহীতাদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান হলো।

হসপিটালে এক্স-রে মেশিন চালুর সময় উপস্থিত ছিলেন, সুনামগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা: জসীম উদ্দিন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার পিয়াস চন্দ্র দাস, শাল্লা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: দেবব্রত আইচ মজুমদার, মেডিকেল অফিসার ডা: রাজীব বিশ্বাস, ডা: ওমর ফারুক। এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন, সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, আহ্বায়ক শাল্লা উপজেলা বিএনপি, আব্দুল আউয়াল, ১ম যুগ্ম আহ্বায়ক বিএনপি, যুগ্ম আহ্বয়ক আব্দুল করিম, সেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি আব্দুল মজিদ, হসপিটালের নার্স স্টাফ সহ অন্যান্য কর্মকর্তা এবং গণমাধ্যমকর্মী।

সূত্রে জানা যায়, শাল্লা উপজেলায় ৫০ শয্যা বিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একটি এক্স-রে মেশিন ছিল। কিন্তু হাসপাতালে এক্স-রে টেকনিশিয়ান অভাবে চালু না করায় দীর্ঘদিন ধরে এটি হাসপাতালে সম্পূর্ণ অকেজো অবস্থায় পড়ে ছিল। পরে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তার বিশেষ উদ্যোগ, জেলা প্রশাসন এবং উপজেলা পরিষদের আর্থিক ও সার্বিক সহযোগিতায় আরেকটি এক্স-রে মেশিন সংগ্রহ করা হয়। একই সাথে রোগীদের সেবা প্রদানের লক্ষ্যে আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে একজন এক্স-রে টেকনিশিয়ানও নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

তবে এক্স-রে মেশিন চালু হওয়ার চিকিৎসা সেবাগ্রহীতা ও স্থানীয় সচেতন মহল আনন্দিত। তারা জানান, বহুদিন পর এলাকার মানুষ সরকারি মূল্যে হাসপাতালের মধ্যে এক্স-রে সেবা পাবেন। এতে হাওরের মানুষজনের সময় ও প্রচুর অর্থ বাঁচবে যা সবার জন্য আশীর্বাদসরূপ।

এবিষয়ে সুনামগঞ্জ সিভিল সার্জন ডা: জসীম উদ্দিন বলেন, বেশ কিছু দিন যাবত এক্স-রে মেশিন বন্ধ থাকায় রোগীরা ভোগান্তিতে ছিলেন। অবশেষে আমরা আরেকটি এক্স-রে মেশিন চালু করতে সক্ষম হয়েছি। টেকনিশিয়ান না থাকায় আপাতত একজন আউটসোর্সিংয়ের লোক দিয়ে এক্স-রে করা যাবে এবং রোগীরা সরকারি মূল্যে এই সেবা পাবেন। আরেক প্রশ্নের জবাবে, তিনি বলেন এখানে ডাক্তার সংকট সহ অন্যান্য সমস্যা নিরসনে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদন করা হয়েছে এবং মাননীয় এমপি মহোদয়ের ডিও নেওয়া হবে।