জলঢাকায় স্বামী ও তার পরিবারের নির্যাতনের শিকার এক গৃহবধূ

প্রকাশিত: ৫:১৫ পূর্বাহ্ণ, মার্চ ৩, ২০২৫

জলঢাকায় স্বামী ও তার পরিবারের নির্যাতনের শিকার এক গৃহবধূ

নীলফামারীর জলঢাকায় স্বামী ও তার পরিবারের নির্যাতনের শিকার হয়ে হাসপাতালের বিছানায় চিকিৎসাধীন দুই সন্তানের জননী  এক গৃহবধূ। রবিবার রাতে জলঢাকা হাসপাতালে গেলে ওই নির্যাতনের স্বীকার গৃহবধূ জাকিয়া আক্তার (২২) এই প্রতিনিধিকে জানান, বালাগ্রাম ইউনিয়নের পশ্চিম বালাগ্রামের

ডাঙ্গখাওয়ার হাট জুম্মাপাড়া এলাকার মৃত মোশাররফ হোসেনের পুত্র রবিউল ইসলামের সাথে বিয়ে হয় ৪ বছর আগে।

বিয়ের কিছু দিন পর থেকে স্বামী, শাশুড়ী ও ননদ মিলে তাকে বিভিন্ন ভাবে তাকে শারীরিক ও মানষিক নির্যাতন করতে থাকে। এরই মধ্যে সে দুই সন্তানের মা হন। দুই  সন্তানের মধ্যে এক ছেলে তার বয়স দের বছর,আর মেয়ের বয়স ১ মাস। তাদের অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে বাবা-মা তাঁদের সংসারের সব কিছু  কিনে দেন। তবু রবিউল  সহ তার মা বোনের শারীরিক নির্যাতন বন্ধ হয়নি। সম্প্রতি স্বামী রবিউল তার স্ত্রী কে একটি নতুন বোরকা কিনে দেয়। সেটা তার শাশুড়ী ও ননদ মেনে না নিয়ে ছেলেের কাছে গৃহবধূ জাকিয়া সম্পর্কে বিভিন্ন অভিযোগ দেয়। এ নিয়ে শনিবার রাত ১১টার দিকে তাঁদের স্বামী স্ত্রীর মাঝে কথা-কাটাকাটির এক পর্যায়ে স্বামী রবিউল ইসলাম উত্তেজিত হয়ে মা বোনের কথায় স্ত্রীকে শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারধর সহ মানষিক নির্যাতন করেন। এবং তার ১ মাস বয়সী মেয়ে ও দের বছর বয়সী ছেলে কে রেখে তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেন। পরে গৃহবধূ বালাগ্রাম ইউনিয়নের পশ্চিম বালাগ্রাম এলাকার সরকার পাড়া গ্রামে তার বাবা জাহাঙ্গীর আলমের বাড়িতে গিয়ে আশ্রয় নেয় এবং তাকে  চিকিৎসার জন্য জলঢাকা হাসপাতালে ভর্তি করে।হাসপাতালের দায়িত্বরত চিকিৎসক জানান, এবারই প্রথম নয়। এর আগেও ওই নারী দুবার স্বামীর নির্যাতনের শিকার হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। জলঢাকা  থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরজু মোঃ সাজ্জাদ হোসেন জানান,এ ঘটনার অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

আমাদের ইউটিউব চ্যানেল